সকল ধর্মের প্রান্তিক দরিদ্র ও সংকটে নিপতিত জনগোষ্ঠী এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে সুদ মুক্ত ঋণসহ বহুমুখী সেবা প্রদানের প্রত্যয়ে গড়ে উঠেছে মসজিদ ডট লাইফ।
মসজিদ ডট লাইফের প্রধান সেবা হলো ১০০% সুদ মুক্ত ঋণ বা কর্জে হাসানা বিতরণ। এই ঋণের ক্ষেত্রে ঋণ গ্রহীতার কাছ থেকে কোনো অজুহাতে একটি পয়সাও অতিরিক্ত আদায় করা হয় না। মুনাফা, সার্ভিস চার্জ, জরিমানা, জামানত, আবেদন পত্রের ফি, প্রসেসিং ফি, এসএমএস চার্জ, বিলম্ব ফি, অগ্রিম কর্তন, আপৎকালীন সঞ্চয় - কোনো কিছুই নেই। মোটকথা, ঋণ গ্রহীতাকে যে পরিমাণ টাকা দেওয়া হয়, সেটাই তারা ছোট ছোট কিস্তিতে পরিশোধ বা ফেরত প্রদান করে থাকেন।
এই ঋণের সর্বোচ্চ সীমা সাধারণত বিশ হাজার টাকা, তবে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে যেমন গরু ঋণের জন্য ৫০,০০০ টাকা এবং ইমাম, মোয়াজ্জিন ও কওমি মাদ্রাসা শিক্ষকদের জন্য ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত প্রদান করা হয়। ভবিষ্যতে এই সীমা বৃদ্ধি পেতে পারে।
প্রতিবন্ধী বা কর্মে অক্ষম অসহায় মানুষদের জন্য আর্থিক সহায়তা, যারা ভরণ-পোষণের জন্য কারো ওপর নির্ভরশীল। মসজিদ ডট লাইফ কোনো ফান্ড কালেকশন করে না; আগ্রহী ব্যক্তিরা সরাসরি সহায়তা প্রদান করেন।
দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার দায়িত্ব গ্রহণে স্পন্সর সংগ্রহ করে থাকে। সাধারণত যাকাতের টাকা দিয়ে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য সুদবিহীন ঋণ। পড়াশোনা শেষে উপার্জন করে এটি পরিশোধ করা হয়।
কোরবান ঈদের পরপর প্রান্তিক কৃষকদের গরু কেনার জন্য টাকা দেওয়া হয়। পরের কোরবান ঈদে গরু বিক্রি করে লাভের টাকা কৃষক ভোগ করেন এবং মূল টাকা ফেরত দেন।
যাকাতের টাকায় পানীয় জলের সংকটে থাকা প্রান্তিক দরিদ্রদের জন্য চাপা কল স্থাপন করা হয়। এতে অনিয়মের কোনো সুযোগ থাকে না।
স্বল্প বেতনের চাকুরীজীবী ইমাম, মোয়াজ্জিন এবং কওমি মাদ্রাসা শিক্ষকদের জন্য থানা ভিত্তিক স্পেশাল ব্রাঞ্চ চালু করা হয়েছে।
এই সেবার বিস্তারিত তথ্যের জন্য "আমাদের সেবা সমূহ" সেকশনটি দেখুন। (মূল লেখা থেকে বিস্তারিত পাওয়া যায়নি, তাই এটি এভাবে রাখা হয়েছে)
আমাদের দেশে মহাজনী সুদখোর আর দাদন ব্যবসায়ীরা হল রক্তচোষা। এদের সুদের হার ১০০%, ১৫০% কখনো ২০০% বা তার চেয়েও বেশি। এত উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে ওরা কুলিয়ে উঠতে পারে না। ওয়াদা রক্ষা করতে পারে না। সবকিছু ওলট-পালট হয়ে যায়। তখন তাদের উপর নেমে আসে অত্যাচার, নির্যাতন। কখনো কখনো নির্যাতনের ভয়াবহতার পরিণতি হয় মৃত্যু।
বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে প্রান্তিক দরিদ্রদের জন্য সুদবিহীন ঋণ বিতরণ কত বেশি গুরুত্বপূর্ণ, তা বোঝানোর জন্য তিনটি সাম্প্রতিক ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে (লিংকগুলো মূল ওয়েবসাইটে দেখুন)। এই ধরনের নিষ্ঠুরতা থেকে মানুষকে মুক্ত করাই মসজিদ ডট লাইফের প্রধান লক্ষ্য।
কোন আইন, কোর্টের নির্দেশনা, পুলিশ, বিডিআর, র্যাব বা আর্মি দিয়ে এ সমস্যার সমাধান হবে না। প্রতিটা মসজিদ মসজিদে সুদ মুক্ত ঋণ বিতরণ কার্যক্রম চালু করার মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান করা যাবে।
কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠার এই দুঃসাহসিক অভিযাত্রায় আপনি বহুভাবে ভূমিকা রাখতে পারবেন। প্রথমে ওয়েবসাইট এবং ইউটিউব চ্যানেল থেকে মসজিদ ডট লাইফ এর পরিকল্পনা এবং কার্যক্রমগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন। অতঃপর আপনার জন্য সুবিধাজনক কাজটি বেছে নিন:
এক বা একাধিক ব্রাঞ্চের স্পন্সর হতে পারেন, অথবা মাত্র এক হাজার টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো পরিমাণ টাকা ডোনেশন প্রদান করতে পারেন। (শতভাগ টাকা ব্রাঞ্চগুলোর মধ্যে বন্টন করে দেয়া হয়। এক পয়সাও ব্যয় করা হয় না। ফান্ড ট্র্যাকিং অপশন থেকে আপনার টাকা কোথায় ব্যবহার হচ্ছে, তা জানতে পারবেন)।
চলমান কার্যাবলী পরিচালনার ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের দায়িত্ব নিতে পারেন। যেমন: ব্রাঞ্চ অ্যাপ্রুভাল, হেল্প ডিসেবেল্ডদের প্রোফাইল অ্যাপ্রুভ করা, ব্রাঞ্চের কাগজপত্র তদারকি করা ইত্যাদি।
(সফটওয়্যার ডেভেলপার এবং গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের জন্য) নতুন সেবা বাস্তবায়নের জন্য সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ওয়েবসাইট ও প্রোফাইলের সিকিউরিটি, এবং ডেটা ব্যাকআপের দায়িত্ব নিতে পারেন।
ফেসবুক সহ সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখালেখি করা, পোস্ট শেয়ার করা, কমেন্টের জবাব দেওয়া, পত্রপত্রিকায় আর্টিকেল লেখা ইত্যাদি।
মসজিদ ডট লাইফের টিম লিডারদের সামাজিক অবদান, প্রশিক্ষণ এবং তাদের দক্ষতা লোকাল জায়ান্ট ও মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিগুলির কাছে তুলে ধরা, যাতে চাকুরীর জন্য তাদেরকে ডেকে নেয়।
জুম মিটিং এর মাধ্যমে ব্রাঞ্চগুলোকে সফটওয়্যার ট্রেনিং, মোটিভেশনাল ট্রেনিং, লিডারশিপ ট্রেনিং সহ বিভিন্নভাবে প্রশিক্ষিত করে তোলা।
পরিকল্পনাগুলো পর্যালোচনা করে সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করা, ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু আরও প্রাঞ্জল ও বোধগম্য করে তোলা।
আইনগত বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা, আইনের ধারা প্রতিপালনের জন্য করণীয়গুলো করা, কেউ ধোঁকাবাজি প্রতারণা করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের সাথে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সারা দুনিয়াতে কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালানো (অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, সচিব, মেজর জেনারেল বা তদূর্ধ্ব, স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বা বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক)।
ফাউন্ডার - "মসজিদ ডট লাইফ"
(১০০% সুদ মুক্ত ঋণ সহ বহুমুখী সেবা)
নর্থ ক্যারোলাইনা - আমেরিকা। ১৭ অক্টোবর ২০২৩
মসজিদ ডট লাইফ একটি ওপেন বুক অনলাইন সফটওয়্যারের মাধ্যমে সমস্ত হিসাব-নিকাশ এবং রেকর্ডপত্র সংরক্ষণ করে, যা সবার জন্য উন্মুক্ত।
মসজিদ ডট লাইফের ফান্ডের মূল উৎস হচ্ছে ডোনেশন বা অনুদান।
Kamal Uddin Ahmed and Harunur Rosid
A/C No: 002612100032731
Southeast Bank Limited, Feni Branch, Feni, Bangladesh
Routing No: 205300521
SWIFT:- SEBDBDDH
"DONATE GENEROUSLY" থেকে "DONATION CONFIRMATION" ফরম পূরণ করুন, অথবা ই-মেইল বা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অবগত করুন:
ই-মেইল: masjid.life.kamal@gmail.com
হোয়াটসঅ্যাপ: +19193608286
২৪ ঘন্টা পর আমাদের ওয়েবসাইটের "DONOR & LENDERS" বাটনে ক্লিক করে আপনার অনুদান আপডেট বা প্রকাশিত হয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত হয়ে নেবেন। আপনি আপনার নিজ নামে ডোনেশন প্রদর্শন করতে না চাইলে - আপনার কোন মৃত আত্মীয় স্বজনের নামে বা ছদ্মনামে প্রদর্শন করতে পারেন।
নিজ নিজ এলাকার স্বচ্ছল ব্যক্তিদের অনুদান নিয়ে ব্রাঞ্চ পরিচালনাকে উৎসাহিত করা হয়। যেসব এলাকায় অনুদান প্রদানের জন্য স্থানীয় লোকদের মধ্যে কেউ এগিয়ে আসেন না, সে সব ব্রাঞ্চকে মসজিদ ডট লাইফ ফান্ড ম্যানেজ করে থাকে।
মসজিদ ডট লাইফ একটি স্বচ্ছ হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা অনুসরণ করে। এর কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও লিঙ্কগুলো দেখুন:
www.masjid.life সরাসরি কোনো ঋণ বিতরণ করে না কিংবা ঋণের অনুমোদনও দেয় না। লোকাল ম্যানেজমেন্ট টিমের মাধ্যমে - ব্রাঞ্চগুলো থেকে ঋণ বিতরণ করা হয়। আপনার মহল্লার মসজিদে ব্রাঞ্চ গড়ে উঠলেই আপনি এই ঋণ পেতে পারেন। আপনার নিকটস্থ মসজিদে ব্রাঞ্চ না থাকলে আপনি এই ঋণ পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ প্রতিটি ব্রাঞ্চ মানে মসজিদ শুধুমাত্র নিজ এলাকার লোকদেরকেই ঋণ প্রদান করতে পারে।
এই ঋণ প্রান্তিক দরিদ্রদের জন্য। বর্তমানে এই ঋণের সর্বোচ্চ সীমা হচ্ছে - ২০,০০০ টাকা। তবে গরু ঋণের ক্ষেত্রে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত প্রদান করা হয়। ইমাম মোয়াজ্জেন এবং মাদ্রাসা শিক্ষকদের জন্য বর্তমানে সর্বোচ্চ সীমা হচ্ছে এক লক্ষ টাকা। ভবিষ্যতে এই সীমা বৃদ্ধি প্রাপ্ত হতে পারে।
www.masjid.life এ যান। উপরে বাম কর্নারে "Apply Online" বাটনে ক্লিক করুন।
এই প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর "শাখা তহবিল পর্যায়ক্রম" সেকশনে দেওয়া আছে।
www.masjid.life
www.masjid.life এ গিয়ে "Our Branches" বাটনে ক্লিক করুন। জেলা ভিত্তিক লিস্ট দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করলেই নিশ্চিত হতে পারবেন - আপনার থানার মধ্যে কোথায় কোথায় ব্রাঞ্চ আছে অথবা নাই।
ছবি প্রকাশ করা হয় স্বচ্ছতার জন্য এবং অনিয়ম বা দুর্নীতির অপ-সম্ভাবনা রোধ করার জন্য। ঋণগ্রহীতার ছবি এবং বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করার কারণে - কোনো ভুয়া কিংবা অযোগ্য মানুষের নামে ঋণ ইস্যু করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ আসা শুরু হয়। কেউ সময় মতো কিস্তি পরিশোধ না করলে সেটাও সবাই দেখতে পান। মোটকথা ব্রাঞ্চ ভিত্তিক ঋণ গ্রহিতার সমস্ত তথ্য প্রকাশিত থাকার কারণে এখানে জেনুইন লোকেরাই ঋণ পেয়ে থাকেন এবং কোনো ধরনের অনিয়মের সম্ভাবনা থাকে না।
দেশের প্রান্তিক দরিদ্র শ্রেণী এবং সংকটে নিপতিত মানুষ। বিস্তারিত জানতে "১০০% সুদ মুক্ত ঋণ: কর্জে হাসানা" সেকশনটি দেখুন।